Akhi alamgir nude sex dating in leyden wisconsin

by  |  20-May-2016 08:19

সেদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল সকাল সাড়ে আটটায়। আমার যতটুকু মনে পড়ে হলের জীবনে আমি কোনদিন একটু শান্তি মত ঘুমাইতে পারি নাই। ন’টার বেশি তো কোন দিনই না। ঐদিন এমনিতেই বাহিরে কি একটা বিষয় নিয়ে পোলাপাইন বেশ হাউকাউ লাগাইছিল। তারপর উপর রুমের দরজাটাও খোলা ছিল। আবার এদিকে ছিল রুমের ছোট ভাইটার অত্যাচার। ও তখন ফার্স্ট ইয়ারে ছিল । যতক্ষণ সে রুমে থাকত ততক্ষণ ঘটঘট করে পড়ত । পুরা রুম ফাটায় ফালাইত। কত বুঝাইছি ওরে, “ভাইয়া, একটু আস্তে আস্তে পড়।” কিন্তু কার কথা কে শুনে। ওর নাকি জোরে জোরে না পড়লে পড়া মুখস্ত হয় না। আরে ভাই আমরা কি পড়ি নাই?

এত্ত আওয়াজ তো করি নাই। এই কথাগুলা ওর কানের পাশ দিয়াও যাইতো না। মাঝে মাঝে ইচ্ছা হইতো তুইলা একটা আছাড় দেই। কিন্তু পরে আর দেয়ার দরকার হয় নাই। কারণ ওর ঘটঘটানি বন্ধ করার একাটা সুন্দর উপায় বের করেছিলাম।আমি বিছানায় শোয়া থেকে উঠে বসলাম । আমাকে উঠতে দেখে,শাওন,আমার রুমের সেই ছোট ভাই বলল, “ ভাইয়া,ঘুম ভাঙল?

”চোখ কচলাতে কচলাতে বিরক্তি মিশ্রিত কণ্ঠে বললাম, “হ্যাঁ,ভাঙল। দরজাটা খোলা রাখছো কেন? ”–“আরে ভাইয়া,সেই কথাই তো বলতে চাচ্ছিলাম। আমাদের ক্লাস আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে মানে ক্লাস সাসপেন্ড করা হয়েছে।” শাওন দাঁত গুলা বের করে বলল।আমি ভেতরে ভেতরে ভীষণ খুশি হলাম। গত কয়েকদিন হতে আম্মুকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল। ভাবছিলাম বন্ধটাতে যাওয়া যাবে চট্টগ্রাম। আমার আম্মা ওখানেই ছিলেন তখন। বাহিরে খুশিটা দেখালাম না। নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “তাই নাকি?

Akhi alamgir nude-41Akhi alamgir nude-84

” বুঝলাম ওর কাছে বন্ধের নোটিশটা আগেই চলে এসেছে। ঐদিন ছিল শনিবার। তাই সেদিনই রওয়ানা হলে সাতদিনই আম্মুর সাথে থাকতে পারবো এই ভেবে আমি আর ও দুইজনই ঐ দিনই রওয়ানা দেয়ার প্ল্যান করলাম।টয়লেট কর্ম শেষ করে যখন রুমে আসলাম তখন দেখি শাওন সেই পুরোনো ঘটঘটানি শুরু করছে। ওরে ডাক দিলাম, “শাওন? –হ্যাঁ,পারবো।–তাহলে তুমি আঁক। আঁকা হইলে আমাকে দেখাইও। ঠিক আছে?

–ঠিক আছে।এই ছেলেটা সব কিছুতেই অনেক চেষ্টা করত। অনেক পরিশ্রম করত। কিন্তু চিন্তা করত জটিল করে। যেটার জন্য ও অনেক সহজ জিনিসও বুঝত না। আমি জানতাম ও আঁকতে পারবে না। এই জন্যই ওরে এটা আঁকতে দিয়েছিলাম। আমার যেই লাভ টা হল সেটা হল ঘটঘটানি বন্ধ। আমি দেখলাম ও কম্পাস আর স্কেল নিয়ে বসতেছে। আমি তো খুশি।শাওন এমনিতে ভালো ছেলে। সারাদিন পড়াশুনায় ডুবে থাকত। অন্যসব ছেলেরা যা করত ও ঐগুলার কিছুই করত না। ফার্স্টইয়ারের ছেলে গুলা অনেক রক্ত গরম টাইপের হয়। নতুন ভার্সিটি উঠছে,তার উপর ঢাকা শহরের বাতাস। সব কিছু মিলায়া একেবারে রঙিন দুনিয়া। আমাগো হলেই কয়েকটা পোলা ছিল যারা মদ,আফিম,হিরোইন,গাজ� �, আর মাইয়া লইয়া সারাদিন টাল হইয়া থাকত। আমি জানতাম প্রতিটা রুমেই একটা দুটো এরকম থাকেই। আমি যখন প্রথম যাই হলে থাকতে,তখন যেই রুমে ছিলাম সেটাতে দুটো আর্কিটেক্ট ভাইয়া ছিল। দেখতাম সারাদিন টাল হয়ে থাকত। আমারেও কয়েকদিন মদ নিতে কইছিল। নিছিলামও,কিন্তু খাইতে পারি নাই। এত জঘন্য জিনিস মনে হয় আমি এর আগে টেস্ট করি নাই। মদের থেকে মনে হয় মুতও বেশি মজা। আর সিগারেটের গন্ধই সহ্য করতে পারি না,গাঞ্জা তো দূরে থাক। কয়েকদিন অবশ্য পর্ণো মুভি দেখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটাও ভালো লাগে নাই। সব গুলা একই রকম। কোন বৈচিত্র নাই। যখন দেখতাম তখন আমার এক্সাইটমেন্টই হইত না। তাই ঐটাও বেশিদিন করতে পারি নাই। হলের সবাই জানত আমাগো রুমে কোন রকমের উল্টাপাল্টা কাজ হইত না। এইজন্য একটা সুন্দর নামও ছিল আমাদের রুমটার। সেটা হল পবিত্র রুম। বুয়েটের জেরুজালেম (পবিত্র নগরী,যারা মুসলমান তারা হয়ত জেনে থাকবেন)। আর আমাগোরে মানে আমারে আর শাওন রে কইত পূত,পবিত্র মানুষ অথবা শিশু। পরে অবশ্য শিশু নামটাই বেশ প্রচলিত ছিল। তবে আমি যে ড্রিংক্স করতাম না তা একেবারে ঠিক না। আমার ওয়াইনটা খুব প্রিয়। আইস ওয়াইনটা বেশি লাইক করি। এখন সপ্তাহে অন্তত একবার এটা টেস্ট করি। আগে মাসে একবারও পাইতাম না। ব্রান্ডের মাঝে লাইক করতাম এলসিনো আর রেড সেভেন। অদ্ভুত জিনিস দুইটা। তবে প্রচুর দাম ছিল তখন। একটা এলসিনো’র বোটল ছিল ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। যেটা ছিল আমার সারা মাসের খরচ। আর পোলাপাইনরাও আনত না। কইত নেশা নাকি জমে না। অবশ্য মাঝে মধ্যে স্যারের বাসায় গেলে খাওয়া যাইত।একটু পর দেখলাম আমার মোবাইলের লাইটটা একবার জ্বলতাছে একবার নিভতাছে। হাতে নিয়ে দেখি সপ্নার ফোন। সপ্না এখন আমার বউ কিন্তু তখন আমার গার্লফ্রেন্ড ছিল। ও তখন ডি.এম.সি.

তে পড়ত। সেকেন্ড ইয়ারে। পরে এফ.সি.পি.এস’ও শেষ করছে। এখন সুন্দর ঘরে বসে আছে। সে নাকি টায়ার্ড হয়ে গেছে। ডাক্তারি করতে পেইন লাগে। এই মেয়েটাকে যখন আমি প্রথম দেখেছিলাম তখনই আমার মনে হয়েছিল মেয়েটার মাথায় কিছু না কিছু ছিট তো আছেই। আর এখনও জীবনের প্রতিটা ডিসিশনে সেটার পরিচয় খুব ভাল ভাবেই দিচ্ছে। তবুও কেন জানি মেয়েটাকে ভাল লাগে। হয়ত মানুষ ভালো এই জন্য।ফোন রিসিভ করতেই সেই জ্বালাময়ী কণ্ঠ কানে এল।–হ্যালো,রিশাত,কেমন আছো? –আমি ভীষণ ভালো আছি। তার উপর তোমার জন্য একটা, না না, অনেকগুলা সারপ্রাইজ আছে, তাই আরও বেশি বেশি ভালো।–কি সারপ্রাইজ? –না,ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে।–“তাই নাকি?

–তুমি এক্ষন আমার বাসায় আসো, আসলেই টের পাবা।–কি টের পাবো, সারপ্রাইজ? ” সপ্না ভীষণ খুশি হয়ে বলল।সপ্নার এটা আরও একটা সমস্যা। যখন খুশি হয় তখন সেটা অনেক বেশি করে প্রকাশ করে, আবার যখন কষ্ট পায় সেটা যত বড়ই হোক না কেন মতেই কষ্ট বুঝতে দেয় না অন্যকে। এজন্য আমি কয়েকবার মিস গাইডও হয়েছি।–হ্যাঁ, তাই ভাবতেছি Ctg যামু গা। আম্মুর সাথে দেখা করতে।–খুবই ভাল, যাও দেখা করে আসো আম্মুর সাথে। তবে আমার একটা রিকোয়েস্ট আছে।–কি? –মানে কিছু না। তুমি সোমবারের টিকেট কাট। বাকিটুকু পরে বুঝাইতেছি।–বাসায় আংকেল আছে না?

– না নাই। ইমারজেন্সি কলে সিঙ্গাপুর গেছে। আমি একা বাসাতে। প্লিজ আসো।আংকেল মানে আমার শ্বশুরও ডাক্তার ছিলেন। তখন ছিলেন মেডিকেলের প্রিন্সিপ্যাল, এখন রিটায়ার্ড করছেন । ও হল ওর আব্বু আম্মুর সিঙ্গেল মেয়ে, কোন ভাইবোন ছিল না । আর ওর আম্মুও ছোট থাকতেই মারা গিয়েছিলেন। অতএব বাসাতে একাই ছিল।–কিন্তু আমি তো আজকেই চলে যাওয়ার প্ল্যান করছি। সুমন আজই চলে যাবে। আমি পরে গেলে একা হয়ে যাবো।–“সুমন ভাইয়া গেলে গা,যাক গা। দরকার হয় আমি তোমার সাথে যাবো Ctg। প্লিজ আসবা বল, দুইদিনই তো,প্লিজ আসো না।” ও প্যানপ্যান শুরু করল–দেখি।– আসতোছ কখন?

Community Discussion